| |
|
|
| 8:20 PM |
|
|
|
|
|
|
|
 |
আমাদের জানুন |
 |
|
 |
এমসিসিএস.
মিডিয়া কনটেন্ট অ্যান্ড কমিউনিকেশন সার্ভিসেস ইন্ডিয়া প্রাইভেট লিমিটেড. এই
সংস্থার ছাতার তলায় রয়েছে দেশের মাটিতে প্রথম জন্ম নেওয়া নিউজ চ্যানেল স্টার নিউজ,
বাংলার প্রথম সবর্ভারতীয় নিউজ চ্যানেল স্টার আনন্দ, আর শুরুর দিন থেকেই
মহারাষ্ট্রের একনম্বর নিউজ চ্যানেল স্টার মাঝা. এবিপি প্রাইভেট লিমিটেডের নিজস্ব
সংস্থা এবিপি টিভির সঙ্গে স্টার গ্রুপের সংস্থা স্টার নিউজ ব্রডকাস্টিং লিমিটেডের
যৌথ উদ্যোগে জন্ম নিয়েছে এমসিসিএস. এই সংস্থায় এবিপির শেয়ার ৭৬ শতাংশ আর স্টারের
২৪ শতাংশ. ভারতের সবচেয়ে বড় দুটি চ্যানেলের অনুপম এই যুগলবন্দিই আজ নানা ভাষায়
পৌঁছে যাচ্ছে আপনাদের ঘরে ঘরে. জনগণের চ্যানেল স্টার নিউজের স্লোগান - আপকো রাখে
আগে. মানুষের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ ভাবে জড়িয়ে থাকা এই চ্যানেল গোটা দেশের অন্তত ২ কোটি
বাড়িতে স্থায়ীভাবে জায়গা করে নিয়েছে. ২০০৫ সালে জন্ম নেওয়ার পর স্টার আনন্দও দখল
করে নিয়েছে কলকাতা ও পশ্চিমবঙ্গের ৪০ শতাংশের বেশি মার্কেট শেয়ার. ১ নম্বর সেই
প্রথম দিন থেকে. আমাদের আরেক সতীর্থ মহারাষ্ট্রের একনম্বর নিউজ চ্যানেল স্টার
মাঝা.
এবিপি. ১৯২২ সালে আনন্দবাজার পত্রিকার জন্মলগ্ন থেকে যার যাত্রা শুরু. সেই গোড়ার
দিনগুলোয় এ কাগজ বেরোত ৪ পাতার সান্ধ্য দৈনিক হিসেবে. সময়ের সঙ্গে সঙ্গে গোটা
দেশের মিডিয়া জগতে একেবারে প্রথম সারিতে জায়গা করে নেয় এই গোষ্ঠী. যাতে রয়েছে
ভারতের সর্বাধিক প্রচারিত দৈনিক আনন্দবাজার পত্রিকা. পূর্বাঞ্চলের বৃহত্তম ইংরেজি
দৈনিক দ্য টেলিগ্রাফ এবং দেশ ও সানন্দা সহ ১২ টি প্রকাশনা, তিনটি ২৪ ঘন্টার জাতীয়
নিউজ চ্যানেল, দুটি অগ্রণী গ্রন্থ প্রকাশনা সংস্থা, বেশ কয়েকটি মোবাইল ও ইন্টারনেট
প্রপার্টি ও একটি এফ এম রেডিও চ্যানেল. এখানেই শেষ নয়. হালে এই গোষ্ঠী চলচ্চিত্র
বিনোদনের দুনিয়াতেও পা রেখেছে.
স্টার. গোটা এশিয়ার সবচেয়ে বড় মিডিয়া ও এন্টারটেনমেন্ট কোম্পানি. ৯ টি ভাষায় ৬০
টিরও বেশি টেলিভিশন পরিষেবার বিশাল মহীরূহ এই সংস্থা. এশিয়ার ৫৩ টি দেশের ৩০
কোটিরও বেশি মানুষ স্টারের নিয়মিত দর্শক. স্টার প্লাস, জিং কং, স্টার চাইনিজ
চ্যানেলস, স্টার ওয়ান, স্টার উত্সব, স্টার ওয়ার্ল্ড, বিজয়, ফোনিক্স চাইনিজ –
চ্যানেলের যেন শেষ নেই ! সঙ্গে রয়েছে খেলার দুনিয়ার বিখ্যাত চ্যানেল ইএসপিএন,স্টার
স্পোর্টস্, স্টার ক্রিকেটও. এর পাশাপাশি সংবাদ ও কারেন্ট অ্যাফেয়ার্সের দুনিয়ায়
আছে দেশের সবচেয়ে প্রভাবশালী চ্যানেল স্টার নিউজ, স্টার আনন্দ, স্টার মাঝা. ভারত ও
চিনের দর্শকরা সমবেতভাবে যতক্ষণ টিভি দেখেন, তার মধ্যে ২০ হাজার ঘন্টাই তাঁরা
দেখেন স্টার গ্রুপের প্রোগ্রাম. এছাড়া বিনোদন, টেলিভিশন প্রোডাকশন, কেবল সিস্টেম,
ডিরেক্ট টু হোম সার্ভিস, টেরিস্ট্রিয়াল ব্রডকাস্টিং এবং ওয়্যারেলস ডিজিটাল
সার্ভিসেও প্রথম সারিতে রয়েছে এই বিশাল মিডিয়া গোষ্ঠী. বিশ্ববিখ্যাত নিউজ
কর্পোরেশনের নিজস্ব সংস্থা এই স্টার ওয়েবসাইট.
www.startv.com |
|
|
|
|
|
|